অবাধ তথ্য প্রবাহের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে বাংলাদেশ: স্পিকার

Published: February 10, 2019 2:28 pm | Updated: February 10, 2019 2:28 pm

ঢাকা: সম্প্রচার মাধ্যমের সাথে সম্পৃক্ত সাংবাদিকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘অবাধ তথ্য প্রবাহের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। দেশে গণমাধ্যমের কর্মপরিধি ও কার্যপরিসর অনেক বিস্তৃত হয়েছে। বিশাল কর্মযজ্ঞকে সামনে রেখে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার ট্রাস্টিবোর্ড গঠন করা হয়েছে। গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

শুক্রবার সকালে রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র কেন্দ্র মিলনায়তনে নবগঠিত ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের প্রথম সম্প্রচার সম্মেলন ও কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার এমন একটি প্লাটফর্ম যা একই সাথে সদস্যদের কল্যাণ সাধন, দক্ষতা বৃদ্ধি, ঝুঁকি মোকাবেলা, কর্মক্ষেত্রের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং গবেষণামূলক কাজে সাংবাদিকদের সহায়তার ক্ষেত্র তৈরি করবে।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজওয়ানুল হক, সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, সারাবাংলা ডটনেট, দৈনিক সারাবাংলা ও জিটিভির এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজাসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ডাউনলিংক করা বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিনা অনুমতিতে বিদেশি বিজ্ঞাপন প্রচার আইনত অপরাধ। এটি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার।

নতুন সরকার গঠনের পরপরই মন্ত্রিপরিষদের প্রথম সভায় নবম ওয়েজ বোর্ডের নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম বৈঠকে নতুন করে কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী সেটির অনুমোদন দিয়েছেন। নবম ওয়েজ বোর্ডের ভেতরে সম্প্রচার সাংবাদিকদের বেতনের ক্ষেত্রে আলাদা নীতিমালা করার কথা বলা আছে।’

টেলিভিশনগুলোতে যেন সঠিক সময়ে বেতন হয়, সে বিষয়ে মালিকদের নজর দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশে বেসরকারি চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয়েছে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা যখন প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তখন প্রথম প্রাইভেট চ্যানেল যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৪৪টি চ্যানেলের মধ্যে ৩০টিরও বেশি বেসরকারি টিভি সম্প্রচারে আছে। এটি পশ্চিম বাংলার থেকেও বেশি।’

গত দশ বছরে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ হয়েছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজ গণমাধ্যম যথেষ্ট স্বাধীনভাবে কাজ করছে। গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় একাধিক নীতিমালা করা হয়েছে।’

পরে ‘সম্প্রচার শিল্প: সম্ভাবনা ও সংকট’ প্রতিপাদ্যে এটিএন নিউজের হেড অব নিউজ মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, একাত্তর টিভির প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু, রুবানা হক, শাকিল আহমেদসহ অন্যরা।